You are here
Home > ফ্রিল্যান্সিং গাইড > ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যত কেমন? ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা ৫ টি কাজ!

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যত কেমন? ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা ৫ টি কাজ!

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যত কি?

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অন্যতম সম্ভাবনাময় একটি খাত হলো ফ্রিল্যান্সিং। সময়ের পরিবর্তনে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অভূতপূর্ব অবদান রাখছে ফ্রিল্যান্সাররা। প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের তরুনদের মাঝে ফ্রিল্যান্সিং এর প্রতি ঝোক বেড়েই চলছে। নিজেদের দক্ষতা এবং সৃজনশীলতাকে পুঁজি করে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে স্বনির্ভর হচ্ছে লক্ষ লক্ষ তরুণ। আর ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যত টাও কিন্তু একদম উজ্বল, বেকারত্বের ছোবল থেকে মুক্ত করে নিজেকে স্বাধীনভাবে মেলে ধরতে পারছে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে।

মূলত পর্যাপ্ত পরিমাণ চাকরির অভাব এবং গতানুগতিক চাকরির গন্ডি থেকে বেরিয়ে আসার প্রবণতাই এই ফ্রিল্যান্স পেশার প্রতি তরূনদের ঝোক বাড়াচ্ছে। মূলত ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্তপেশা। যেখানে সময়ের কোনো বাধাধরা নেই,কর্মপরিধি কোনো গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনি স্বাধীন ভাবে নিজ নিজ দক্ষতা অনুযায়ী আপনার ক্লায়েন্টের জন্য নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে কাজ করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনার ভিতর কর্মস্পৃহা,ধৈর্য্য এবং সৃজনশীলতার সংমিশ্রণ থাকতে হবে। এবং সেইসঙ্গে আপনার মার্কেটের চাহিদা অনুযায়ী আপনার কাঙ্খিত সেক্টরে নিজের দক্ষতা ফুটিয়ে তুলতে হবে।ফ্রিল্যান্সারদের জন্য রয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেমনঃ

  • www.Peopleperhour.com
  • www.oDesk.com
  • www.Guru.com
  • www.Freelancher.com
  • www.Fiverr.com
  • www.Elance.com
  • www.99designs.com
  • www.Themeforest.net
  • www.Designcrowd.com
  • www.Graphicriver.net
  • www.Activeden.net

এছাড়াও  আরো হাজারো মার্কেটপ্লেস রয়েছে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য।যেখান থেকে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের প্রত্যাশিত কাজটি খুঁজে নিতে পারে।

বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক রকমের কাজ থাকে। একজন ফ্রিল্যান্সার তার নিজস্ব দক্ষতা অনুযায়ী ঐ সংশ্লিষ্ট কাজ করে ঘরে বসে প্রচুর পরিমাণ আয় করতে পারেন। এসবের মধ্যে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন,কন্টেন্ট/আর্টিকেল রাইটিং,সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, সফটওয়্যার/ অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রি, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, অনলাইন সার্ভে ইত্যাদি।

উল্লেখিত কাজগুলোর মধ্যে আপনার জানা এবং দক্ষতা অনুযায়ী পছন্দ করে কাজ শুরু করতে পারেন। তবে সেইসাথে খেয়াল রাখতে হবে কোন কাজটি মার্কেটপ্লেসে বেশি জনপ্রিয় এবং সম্ভাবনাময়। আজ আমরা এমন বেশকিছু সম্ভাবনাময় জনপ্রিয় কাজগুলো আপনাদের কাছে উপস্থাপন করবোঃ



ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ডিজাইন

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে প্রায় প্রতিটি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব একটা ওয়েবসাইট থাকা অত্যাবশ্যকীয়তায় পরিণত হয়েছে। একটি আকর্ষণিয় এবং পেশাদার ওয়েবসাইট যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে স্বল্প ব্যয়ে বিশাল পরিসরের মার্কেটে পৌছে দিতে সক্ষম হয়। এছাড়া ও একটি প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যাবলী, সেবা পেশাদারিত্বের মাধ্যমে কাস্টমারদের কাছে পৌছে দিতে ওয়েবসাইটের বিকল্প নেই। তাই প্রতিযোগীতার বাজারে নিজেদেরকে একধাপ এগিয়ে রাখতে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই এখন পরিপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় ওয়েবসাইট তৈরীর দিকে মনোযোগী হচ্ছে।

শুধু নতুন ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টই নয় বরং পুরনো ওয়েবসাইটকে ও নতুনভাবে ডেভেলপ করার প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক আকারে দেখা যায়। আর এই কাজগুলো সুনিপুণ ভাবে করার জন্য প্রতিষ্ঠান গুলোকে দ্বারস্থ হতে হয় ওয়েব ডেভেলপার এবং ওয়েব ডিজাইনারদের নিকটে। তাই সময়ের পরিক্রমায় অনলাইন মার্কেটপ্লেসের পাশাপাশি লোকাল মার্কেটগুলোতেও ওয়েব ডেভেলপার এবং ডিজাইনারদের চাহিদা দিনকে দিন বেড়েই চলছে।

আমরা প্রতিনিয়ত গুগল,ইয়াহু সহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে যে ওয়েবসাইট গুলো দেখতে পাই তা হলো ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপারদের সৃজনশীলতা এবং কর্মদক্ষতার সমন্বয়। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে,একজন ওয়েব ডিজাইনার একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে তা নির্ধারণ করে থাকেন। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের লে-আউট, মেন্যু, সাইডবার, তথ্য, ছবি সুশৃঙখল এবং আকর্ষণিয় ভাবে উপস্থাপনই হচ্ছে একজন ওয়েব ডিজাইনারের কাজ।

আর ওয়েব ডিজাইনারের তৈরীকৃত এই ডিজাইনকে ফাংশনাল এবং ডাইনামিক করে থাকেন একজন ওয়েব ডেভেলপার। অর্থাৎ একজন ওয়েব ডেভেলপার ডিজাইন,কনটেন্টম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ডেটাবেস এই বিষয়গুলোর সংমিশ্রণে পুরো সিস্টেমকে সক্রিয় করে তুলেন। ডাটা প্রসেসিং, ডাটাবেস নিয়ন্ত্রণ, সিকিউরিটি নির্মান, ইউজার এবং এডমিনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা, এপ্লিকেশনের সকল ফিচারকে ফাংশনাল এবং ডাইনামিক করা এবং সমগ্র সিস্টেমের কার্যকারীতা এবং ব্যবহার যোগ্যতা নিয়ন্ত্রণ করাই হচ্ছে একজন ওয়েভ ডেভেলপারের কাজ।

আপনি যদি একজন ভালো ওয়েব ডেভেলপার হতে চান তাহলে PHP, MySQL,HTML, CSS, JAVASCRIPT, JQUERY, Bootstrap এই বিষয়গুলো সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা রাখতে হবে। এবং ওয়েব ডিজাইনিং এ দক্ষ হতে হলে আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় টুলস যেমন GIMP, PHOTOSHOP  সহ কিছু Scripting Language ও Markup যেমন, HTML, CSS এবং JavaScript ইত্যাদি সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা রাখতে হবে।

উল্লেখিত বিষয়সমূহে দক্ষতা অর্জন করে একজন ওয়েভ ডেভেলপার কিংবা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। Freelancer.Com, Upwork.Com, Fiverr.Com সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ঘন্টায় ২ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন। কিংবা themeforest.net, codecanyon.net এর মতো মার্কেট প্লেসে আপনি আপনার তৈরী ওয়েব এপ্লিকেশন গুলো বিক্রি করে প্রতি মাসে লক্ষ টাকা আয়  করতে পারেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন

যে কোন তথ্য বা ছবি সুন্দর ও চিত্তাকর্ষকভাবে উপস্থাপন করা হয় গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে। একজন ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই ব্যবহারকারির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারেন এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন। আর এই আধুনিক যুগে প্রতিটি কোম্পানির ই নিজস্ব পণ্য বা সেবা গ্রাহকদের নিকট পৌছে দিতে হলে তুমুল প্রচারণার প্রয়োজন। আর এই প্রচারণার জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দনীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। একজন গ্রাফিক ডিজাইনার তার নিজস্ব চিন্তাভাবনা,দক্ষতা ব্যবহার করে রঙ,ছবি,শব্দ,বিষয়বস্তুর মিশ্রণ্রে ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী একটি সম্পূর্ণ নতুন এবং ভিন্ন ছবি ফুটিয়ে তোলেন। যা গ্রাহকের রূচি অনুযায়ী আকর্ষণীয় এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

প্রায় সব মার্কেটপ্লেসেই গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য রয়েছে তুমুল চাহিদা। দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার করে থাকেন। যেমন, লোগো ডিজাইন,ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন,ওয়েব ব্যানার ডিজাইন,টি-শার্ট ডিজাইন,বিজ্ঞাপন ডিজাইন,ব্রুশিয়ার ডিজাইন,ম্যাগাজিন ডিজাইন,ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন, বুক কভার ডিজাইন,পোস্ট কার্ড ডিজাইন,আইকোন ডিজাইন,ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং,মোবাইল অ্যাপ,ইউআই ডিজাইন ইত্যাদি।

উল্লেখিত ক্যাটাগরিতে আপনি কাজ শুরু করে আয় করতে পারেন ঘরে বসেই। একজন ভাল মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে সৃজনশীলতার পাশাপাশি প্রয়োজন কিছু টুলস এ দক্ষতা। যেমন,Adobe Photoshop, Adobe Illustrator এছাড়াও বিভিন্ন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে ধারণা রাখতে হবে।

কন্টেন্ট রাইটিং

ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর সম্ভাবনাময় এবং অন্যতম একটি ক্ষেত্র হলো কন্টেন্ট রাইটিং বা আর্টিকেল রাইটিং। যদি আপনার ভিতর লেখালেখির প্রতি প্রবল ঝোক আর সৃজনশীলতা থাকে তবে আপনিও হতে পারবেন একজন ভালো কন্টেন্ট রাইটার। মূলত সহজ এবং প্রাণবন্ত ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে ক্লায়েন্টের পছন্দমতো কন্টেন্ট যোগান দেওয়াই হচ্ছে একজন দক্ষ কন্টেন্ট রাইটার এর কাজ। কন্টেন্ট রাইটিং এর ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত, যেমনঃ ওয়েব কনটেন্ট রাইটিং, ব্লগ রাইটিং, ট্রান্সলেশন, ট্রান্সক্রিপশন, অ্যাফিলিয়েট কন্টেন্ট রাইটিং, ই-বুক রাইটিং, এসইও কন্টেন্ট রাইটিং, নিউজ কন্টেন্ট রাইটিং, কপিরাইটিং, প্রেস রিলিজ রাইটিং, রিজিউমি রাইটিং, রিসার্চ এন্ড সামারিজ, ক্রিয়েটিভ রাইটিং ইত্যাদি। এছাড়াও কোনো পণ্যের রিভিউ লেখা, পণ্যের বর্ণনা লেখা,বিজ্ঞাপন ও ব্রশিউর রাইটিং, রি-রাইটিং,সামারাইজেশন রাইটিং ইত্যাদি ক্ষেত্র ও রয়েছে।

আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী ক্ষেত্র নির্বাচন করে ঘরে বসেই খুব সহজে কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে আয়ের পথ খুলতে পারেন।বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস সহ অফলাইনেও রয়েছে প্রচুর কাজের সুযোগ।বিভিন্ন সংবাদপত্র,ম্যাগাজিনে ফ্রিল্যান্স কন্টেন্ট রাইটারদের চাহিদা প্রচুর।তবে নিজেকে ভালো কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে বিষয়বস্তু সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা ও সামঞ্জস্যপূর্ণ লেখার দিকে সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে।আর ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা থাকলে প্রচুর পরিমাণ কাজ করতে পারবেন। কারণ বেশিরভাগ ক্লায়েন্টেই ইংরেজী কন্টেন্ট খুঁজে থাকেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)

একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)। এই পদ্ধতির মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে প্রদর্শিত হতে পারে।

একটি বিষয় লক্ষণিয় যে,আমরা আমাদের কাঙ্খিত লেখা কিংবা যেকোনো বিষয়,সেবা ইত্যাদি খুজে পেতে সার্চ ইঞ্জিন (গুগল,ইয়াহু ইত্যাদি) এ সার্চ করে থাকি তখন ঐ কাঙ্খিত বিষয় সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পৃষ্ঠায় দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় আর যাই নাহ। পরবর্তীতে অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করে আগের বিষয়টিই আবার সার্চ করে থাকি।

এক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে নিজের ওয়েবসাইটকে প্রথম পাতায় দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে নিয়ে আসাই সবার লক্ষ্য থাকে। কারণ এই প্রথম পাতায় থাকার মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটে ভিজিটরের সংখ্যা বেশি হবে। আর ভিজিটরের সংখ্যা বেশি হলে যে কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা সেবা খুব সহজে পৌছাতে পারবে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে। এবং এতে আয়ের পরিমাণ ও বেড়ে যাবে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের সেবা,পণ্য খুব বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌছে দিতে এখন দ্বারস্থ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ দক্ষ ফ্রিল্যান্সারের কাছে।

ধৈর্য,অধ্যবসায় এবং দক্ষতার মাধ্যমে ৩০ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা উপার্জন করতে পারেন। SEO এর ক্ষেত্র এবং পরিধি অনেক বিস্তৃত। Web analytics, Link Building, posting, Social Bookmarking, Domain Name Optimization, Title Optimization, Keyword Optimization/keyword research, Meta Description Optimization, Html tag H1,H2,H3 Optimization, Index sitemap ইত্যাদি সহ বিভিন্ন বিষয়াদি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণাপূর্বক আপনি হতে পারবেন একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার। ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে এ ক্ষেত্রটিকে কাজে লাগিয়ে মার্কেটপ্লেসে নিজেকে দক্ষ হিসেবে প্রমাণ করতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং

তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার প্রচারণাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।সময়ের পরিক্রমায় সব কিছু আধুনিকায়নের পাশাপাশি ব্যবসায়ের প্রচার-প্রচারণায় ও এসেছে পরিবর্তন। তাই ট্রেডিশনাল মার্কেটিং থেকে এখন মানুষ ঝুকছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর দিকে। কারণ স্বল্প ব্যয়ে,কম পরিশ্রমে কাঙখিত গ্রাহকদের নিকট নিজের পণ্য বা সেবা পৌছে দিতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জুড়ি নেই।

ক্রমশ এর পরিধি বাড়ার সাথে সাথে চাহিদা বাড়ছে দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটারদের। ডিজিটাল মার্কেটিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন,সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং,সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং,অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং,মোবাইল মার্কেটিং,ই-মেইল মার্কেটিং,কন্টেন্ট মার্কেটিং,ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং ইত্যাদি। আপনার দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা অনুযায়ী উল্লেখিত যেকোনো ক্ষেত্রে বিচরণ করতে পারেন।

প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান অগ্রসরতায় গ্রাহকদের নির্দিষ্ট পণ্য কিংবা সেবার আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জুড়ি নেই। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে কোনো ক্রেতারা কোনো একটি পণ্য ক্রয় কিংবা সেবা ভোগ করার জন্য সামাজিক মাধ্যম গুলোর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। আর তাই দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার দের চাহিদা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তাই ভবিষ্যত সম্ভাবনার কথা ভেবে আপনিও গড়ে তুলতে পারেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর ক্যারিয়ার।

শুধুমাত্র চাহিদা বিবেচনা করে নয়, আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতার  সম্মিলনে কোন সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়বেন সেটা ঠিক করুন। মনে রাখবেন, সব কাজেরই যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আপনার যদি কাজের প্রতি আগ্রহ থাকে এবং রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন না দেখে পরিশ্রম করতে পারেন ইনশাআল্লাহ  সফল হবেন। শুভকামনা আপনার জন্য।

 

Facebook Comments
Top